CHEMICAL
PEEL
কেমিকেল পিল =====---- সৌন্দর্য্যের আদি রহস্য=======
**************************************
**************************************
(কয়েক হাজার বছরের পরীক্ষিত ও ১৯৪০ সাল থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্বীকৃত)
১, এটি একটি লাগানোর ঔষধ; যা বিভিন্ন খাদ্য শস্য-ফল ও দুধের নির্যাস থেকে ইউরোপ ও আমেরিকার ঔষধ কারখানায় তৈরী হয়
২. এক্সপার্টরা (বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত) আক্রান্ত স্থানে লাগায়; এবং এই ঔষধ পুরাতন, অসুস্থ ত্বককে ফেলে দেয়
৩, প্রায় ব্যথামুক্ত, হালকা জ্বালা-পুড়া করতে পারে, সর্বোচ্চ ০২ মিনিট পর্যন্ত
৪, এতে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহৃত হয় তাই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই
৫, প্রাচীন পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক সংস্করন, যা গত ৭০ বৎসর যাবৎ সারা পৃথিবীতে এবং গত ১৫ বৎসর যাবৎ আমাদের দেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৬, এটি
***ত্বকের সৌন্দর্য্য বর্ধনে ও------ রং ফর্সাকারী হিসাবে
****তিল, দাগ, মেসতা, বলীরেখা ---------দূরীকরনে
৬, এটি
***ত্বকের সৌন্দর্য্য বর্ধনে ও------ রং ফর্সাকারী হিসাবে
****তিল, দাগ, মেসতা, বলীরেখা ---------দূরীকরনে
*****স্ট্রায়া বা ফাটা দাগ---------- দূরীকরনে
*******ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়
*******ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়
প্রাচীন মিসরের রানী ক্লিওপেট্রা টক দুধ দিয়ে গোসল করতেন সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও যৌবন ধরে রাখার জন্য। কি আছে এই টক দুধে, যা রং ফর্সা করে। অনুরূপ ভাবে ফরাসী রমনীরা পুরাতন মদ গায়ে লাগাতো রূপ লাবণ্যের জন্যে।
বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন যে, দুধে -ল্যাকটিক এসিড, খাদ্য শস্যে- গ্লাইকোলিক এসিড, লেবু ও কমলায় -সাইট্রিক এসিড, আপেলে-ম্যালিক এসিড, আংগুরে-টারটারিক এসিড রয়েছে ; এগুলোই এসবের সক্রিয় উপাদান,যা ত্বকের জন্যে উপকারী।
এসব লাগানোর পদ্ধতি ও মাত্রা বিজ্ঞানীরা নির্ধারন করে দিয়েছেন। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম মাত্রায় ব্যবহার কোন উপকার করে না, বেশী মাত্রায় ব্যবহার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
ত্বকের পরিচর্যায় আমাদের দেশের অনেক মহিলা বিভিন্ন ফল-মূল, খাদ্য শস্য ত্বকে ব্যবহার করেন, এগুলো স্থুল পদ্ধতি। এতে কদাচিৎ উপকার পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে ত্বকের কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যায়।
তাই এসব জিনিসের সঠিক প্রয়োগ বিধি মেনে উপকার পেতে হলে, কেমিকেল পিলিং করতে হবে। ১৯৪০ সাল থেকে ব্যবহৃত, বৈজ্ঞানিক ভাবে নির্ধারিত মাত্রায় প্রয়োগবিধি কেমিকেল পিলিং নামে পরিচিত।
No comments:
Post a Comment